

Tec39♦ ক্যারল বার্জের পর এবার অপসারিত হলেন টিম মর্সও। তার বিদায়ের পর বৃহৎ ইন্টারনেটভিত্তিক বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান ইয়াহু’র প্রধান নির্বাহী হলেন পেপাল’র স্কট থমসন। আগামী ৯ জানুয়ারি তিনি ইয়াহুতে যোগ দেবেন।
বুধবার সকালে অলথিংস ডি ওয়েবসাইট এই খবর জানালেও বিষয়টি স্রেফ রটনা বলে মন্তব্য করেছিলেন কেউ কেউ। তবে দুপুর পর্যন্ত এ সম্পর্কে ইায়াহু মুখে কুলুপ এঁটে থাকলেও বিকালে সংবাদসংস্থা রয়টার্স বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আর থমসনের ইয়াহুতে যোগ দেয়ার মাধ্যমে আর্থিক সঙ্কটে পড়ে নিলামে ওঠা ইয়াহু ফের ঘুড়ে দাঁড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, ইন্টারনেট প্রযুক্তি ও ই-কমার্স বিশেষজ্ঞ হিসেবে থমসন পেপাল এবং অনলাইন পেমেন্ট সেবা ই-বে ইনকরপোরেশন-এর মতো ইয়াহুকে পুনরুজ্জিবীত করতে সক্ষম হবেন।
ইয়াহু’র মালিকানা অংশীদার ও অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান গ্যামকো’র তহবিল ব্যবস্থাপক লরেন্স হ্যাভারটি বলেন, “থমসনের ইয়াহুতে যোগদান প্রতিষ্ঠানটি চাঙ্গা হবার একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত। বিক্রির চেয়ে এটা ইয়াহুর জন্য আরো কল্যাণকর ফল বয়ে আনবে।”
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ১৩ জানুয়ারি ইয়াহু’র প্রধান নির্বাহী ও পরিচালনা বোর্ড সদস্য হিসেবে নিয়োগ পান ক্যারল বার্টজ। কিন্তু ২০১১ সালে ৬ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করেই তাকে প্রধান নির্বাহীর পদ থেকে অপসারণ করা হয়। এরপর থেকেই প্রতিষ্ঠানটির হাল ধরেন টিম মর্স।
তবে ক্যারোল বার্টজ’র আপসারণের পাঁচ মাসের মাথায় ইয়াহু’র প্রধান নির্বাহী পদে যোগ দিলেন সাবে ভিসা পেমেন্ট সফটওয়্যার ডিজাইনার থমসন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সানভিল শহরে ১৯৯৪ সালে যাত্রা শুরু করে ইয়াহু। পরের বছর ১ মার্চ ইনকরপোরেটেড হয় ডেভিড ফিলো ও জেরি ইয়াংয়ের প্রতিষ্ঠিত ইন্টারনেট সেবাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ধীরে ধীরে ওয়েবসাইট, সার্চ ইঞ্জিন, ইয়াহু ডিকশনারি, ইয়াহু মেইল, ইয়াহু নিউজ, ইয়াহু এন্সার, অ্যডভার্টাইজমেন্ট, অনলাইন ম্যাপ, ইয়াহু ভিডিও এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মতো ইন্টারনেট সেবা চালু করে।
বর্তমানে প্রায় ৩০টি ভাষায় পরিচালিত ইয়াহু অনলাইন সেবার নিয়মিত ব্যবহারকারী প্রায় ৭০০ মিলিয়ন। তবে গুগল’র জয়জয়াকারে এতোসব সেবা থাকার পরও অনেকেই ইয়াহু থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।