একা থাকলে কমতে পারে আয়ূ

200

নিউজ৩৯♦ ওজন বেড়ে যাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, এটি নতুন কোনো তথ্য নয়। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যারা সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন থাকেন বা একাকিত্ব ভোগেন তারাও স্থূলতার মতো কম সময় বেঁচে থাকার ‍হুমকিতে থাকেন। 

গবেষণার প্রধান লেখক যুক্তরাষ্ট্রের ব্রিগহাম ইয়ং ইউনিভার্সিটি (বিওয়াইউ)’র জুলিয়ান হোল্ট-লান্সটাড বলেন, “একাকিত্বর ক্ষতিকর দিকগুলোকে স্থূলতার সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। এই ব্যাপারে জনসচেতনতা তৈরি করা দরকার।” গবেষকরা জানান, বৃদ্ধ বয়সে বেশিরভাগ মানুষ একা হয়ে যান আর তাদের মৃত্যুর আশঙ্কাও থাকে বেশি। তবে তরুণ বয়সে যারা একাকিত্ব ভোগেন তাদের মধ্যে মৃত্যুর আশঙ্কা বৃদ্ধদের থেকেও বেশি থাকে।

তারা আরও জানান, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা এবং নিঃসঙ্গ জীবনযাপনের জন্য ৬৫ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে অকাল মৃত্যুর প্রবণতা বেশি দেখা যায়।

গবেষণার জন্য বিভিন্ন রকম স্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণার তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সব মিলিয়ে এসব গবেষণাপত্র থেকে প্রায় ৩০ লাখেরও বেশি মানুষের তথ্য যুক্ত করা হয় যেগুলোর মধ্যে ছিল একাকীত্ব, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা এবং একা থাকার মতো বিষয়।

এই গবেষণাপত্রের সহকারী রচয়িতা বিওয়াইইউ’য়ের টিম স্মিথ বিশেষ জোর দিয়ে বলেন, “মূল কথা হচ্ছে, শুধু অনুভূতির দিক থেকে নয় জগতে যতবেশি ইতিবাচক মানসিক অবস্থা গড়ে তুলবো ততবেশি শারীরিকভাবেও ভালো থাকতে পারবো।”  

একাকীত্ব এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতা— দুটি ভিন্ন বিষয়। যেমন: অনেকের মাঝে থেকেও কেউ একজন একাকীত্ব বোধ করতে পারেন। আবার অনেকে নিজেদের আড়াল করে রাখেন কারণ তারা একা থাকতে পছন্দ করেন।

গবেষণায় দেখা গেছে এই দুই ক্ষেত্রেই বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে। পার্সপেক্টিভস অন সাইকোলজিকাল সায়েন্স জার্নালে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়।

Comments

comments