জনগণকে হত্যা করে কোন গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে

202

প্রান্ত ঘোষ♦ রাজনৈতিক হিংসা আমাদের দেশে বর্তমানে নতুন কোন খবর নয় কিন্তু এর নৃশংসতা এখন খবর। ২০১৩-এর শেষের দিকে এবং ২০১৪-এর শুরুতে দেখা যায় জনগণের জীবনকে পুঁজি করে ক্ষমতা আরোহনের চেষ্টা। কিছু রাজনৈতিক দল আন্দোলনের নামে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করছে সাধারণ মানুষের উপর।

 

অপরদিকে সেই আন্দোলন প্রতিহত করার জন্য গুলি চালানো হচ্ছে সাধারন মানুষের উপর।অর্থাৎ উভয় সংকট সাধারন মানুষের।এই রাজনৈতিক সংঘর্ষের কারনে কারো প্রান গেলে দেখা যায়,হয় সে সাধারন ব্যাক্তি,না হয় রাজনৈতিক দলের সাধারন কর্মী।

 

সামান্য কিছু প্রাপ্তির আশায় বা কখনো তার অজান্তেই প্রান নাশের স্বীকার হতে হয়। ২০১৪-এর শুরুর দিকে তাকালে দেখা যায়,কত খারাপ অবস্থা সহ্য করতে হয়েছে সাধারন মানুষকে।২০১৪ সালে প্রকট আকার ধারন করে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ।এই পেট্রোল বোমা কখনওই কোন বড় রাজনৈতিক দলের নেতার গাড়িতে নিক্ষিপ্ত হয়নি,নিক্ষিপ্ত হয়েছে গন পরিবহনে। কোন বড় রাজনৈতিক নেতাকে এই পেট্রোল বোমার আঘাতে ঝ্বলসাতে হয়নি,ঝ্বলসাতে হয়েছে সাধারন মানুষকে যারা দিন আনে দিন খায়। আগুনে পুড়ার পর বার্ন ইউনিটে অসহ্য যন্ত্রনা সহ্য করতে হয়েছে সাধারন মানুষের,কোন রাজনৈতিক ব্যাক্তি-বর্গের না।

 

অন্য খবর  গাম্বিয়াকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা

গনতান্ত্রিক আন্দোলনের নামে যা জনসাধারনের স্বাধীনতা হরন করে তা কি-রূপে গনতান্ত্রিক আন্দোলন।যে দিবসে জনগণ ভোগান্তিতে পরে,জনগনের স্বাধীনতা থাকে না তা কি-রূপে গনতন্ত্র রক্ষা দিবস।বাংলার মানুষ এমন গনতন্ত্র,এমন রাজনীতি চায় না। ৭১-এ বাংলার মানুষ এমন বাংলাদেশ প্রত্যাশা করে নি। তারা চেয়েছিল একটি সহিংসতা মুক্ত বাংলাদেশ। যা আজও বাংলার মানুষের স্বপ্নই রয়ে গেছে।

(লেখকঃ শিক্ষার্থী দ্বাদশ শ্রেনী, পদ্মা কলেজ)

Comments

comments