সৌদি আরবে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান, সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আশা

113
সৌদি আরবে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান, সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আশা
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সশস্ত্র বাহিনী প্রদর্শনী পরিদর্শন করেছেন। এ প্রদর্শনী থেকে অভিজ্ঞতা অর্জনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দু’দেশের সামরিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক গতকাল (শনিবার) রিয়াদে সৌদি সশস্ত্র বাহিনী প্রদর্শনী পরিদর্শনের মাধ্যমে তার পাঁচ দিনের সফর শুরু করেন। এসময় সৌদি সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ তাকে প্রদর্শনীতে স্বাগত জানান। পরে জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ও তাদের কারিগরি প্রযুক্তি ঘুরে দেখেন। এছাড়া সৌদি সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন প্রযুক্তি ও বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ের সহযোগিতার বিষয় পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।

সৌদি সশস্ত্র বাহিনীর আমন্ত্রণে স্থানীয় সময় শনিবার সকালে তিনি রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। এ সময় সেখানে সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ, দূতাবাসের ডিফেন্স অ্যাটাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শাহ আলম চৌধুরী, ইকোনোমিক কাউন্সিলর ড. মো. আবুল হাসানসহ সৌদি সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অন্য খবর  মাশরাফি-তাসকিন-রুবেলের প্রশংসায় ওয়ালশ

সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ অর্জনের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তির হস্তান্তর, স্থানীয়করণ এবং সর্বোপরি উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রিয়াদের আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও এক্সিবিশন সেন্টারে সৌদি আরবের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ জেনারেল আব্দুল রহমান বিন সালেহ আল-বুনায়ন প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।

‘সন্ত্রাস ও উগ্রপন্থা’র বিরুদ্ধে একসঙ্গে অবস্থান নিতে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে ৩৪টি মুসলিম দেশকে নিয়ে দ্য ইসলামিক মিলিটারি অ্যালায়েন্সের (আইএমএ) ঘোষণা দেন সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ। পরে জোটের সদস্যসংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪১। আইএমএএফটির প্রথম কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে নিয়োগ পান পাকিস্তানের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) রাহিল শরিফ।

২০১৬ সালে সৌদি আরবের নেতৃত্বে ৩৪ মুসলিম দেশের সামরিক জোটে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল বাংলাদেশ। তা নিয়ে আলোচনার মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, সৌদি জোটের অধীনে কোথাও বাংলাদেশি সৈন্য মোতায়েন করা হলে তা জাতিসংঘের নীতিমালা মেনেই করা হবে। ২০১৭ সালের আগস্টে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশ প্রয়োজনে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটে সেনা পাঠাতে পারে।

অন্য খবর  পাঁচ দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন জেদ্দায়

Comments

comments