সার্কে বাংলাদেশ এগিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারে

166
৩০ জানুয়ারির আগে বাড়ছে না ইন্টারনেটের গতি!

ইন্টারনেট ব্যবহারের দিক থেকে বাংলাদেশ সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে অনেক এগিয়ে রয়েছে। বর্তমানে দেশের ৪২ শতাংশ মানুষ বিভিন্ন কাজে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে থাকে। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের তথ্যমতে, এশিয়ার অনেক ক্ষমতাধর দেশকে টপকিয়ে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৭.২৪৫ মিলিয়ন, যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৪১.৫২ শতাংশ। প্রাপ্ত তথ্যমতে, প্রতিবেশী দেশ ভারতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্য ৪৬ কোটি, যা ওই দেশের মোট জনসংখ্যার ৩৪.৮৩ শতাংশ। শ্রীলংকায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সংখ্যা ৬০.৮৭ লাখ, যা জনসংখার ২৯.৩০ শতাংশ এবং পাকিস্তানে জনসংখ্যার ১৭.৮১ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সময়োপযোগী বিশেষ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে গত নয় বছরে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হার ২.৬৭ শতাংশ থেকে ৪১.৫২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। ২০০৮ সালে যা ছিল ২.৬৭ শতাংশ। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তা দাঁড়ায় ৪১.৫২ শতাংশে। সূত্র জানায়, এ বছরও সরকার তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিভাগের জন্য ৩ হাজার ৯৭৪ কেটি টাকা বরাদ্দ দেয়ার প্রস্তাব করেছেন, যা ২০১৬-১৭ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ২ হাজার ১৫৫ কোটি টাকা বেশি।
অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় বলেন, প্রায় ১৮ হাজার ৫শ’ সরকারি অফিসকে একই নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং সাবমেরিন ক্যাবলসের সক্ষমতা ৪৪ জিবিপিএস (প্রতি সেকেন্ডে গিগাবাইট) থেকে ২০০ জিবিপিএস এ উন্নীত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘২০১৭ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত দেশে মোবাইল টেলিফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা যথাক্রমে ১৩.৩১ কোটি ও ৭ কোটিতে উন্নীত হয়েছে।’ ইতিমধ্যে স্বল্পমূল্যে দ্রুতগতি সম্পন্ন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে ২০২০ সালের মধ্যে ফোর-জি চালু করতে সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

অন্য খবর  আসছে সুপার ফোন

 

Comments

comments