শ্রীনগরে আড়িয়ল বিলের কৃষি জমির মাটি কেটে নিচ্ছে ভূমিদস্যুরা

194
শ্রীনগরে আড়িয়ল বিলের কৃষি জমির মাটি কেটে নিচ্ছে ভূমিদস্যুরা

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ইটভাটায় ইট তৈরির জন্য বিক্রি হচ্ছে আড়িয়াল বিলের ফসলি জমির মাটি। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী কৃষকদের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে স্বল্পমূল্যে জমির উর্বর মাটি জোর করে মাটি কেটে বিক্রি করছেন। এতে জমির উর্বতা শক্তি নষ্ট হয়ে ফসল উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে। উপজেলার আড়িয়ল বিলের ও বাঘরা উনিয়নের কাঠালবাড়ি, রুদ্রপাড়া, কামারগাঁও ভ্যাগকুল ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, ফসলি জমির মাটি জোর করে কেটে বিক্রি করে ইটভাটায়। আড়িয়ল বিলে সাড়ি সাড়ি মাটি কেটে টিলার ভানিয়ে রাখছে। বর্ষার সময় এই মাটির টিলা ইট ভাটায় বিক্রি করা হবে। আবাদি জমির ওপরের অংশ এক থেকে ১৫-২০ ফুট গর্ত করে কেটে নেওয়া হচ্ছে।

এভাবে মাটি বিক্রি অব্যাহত থাকলে এক সময় ফসল উৎপাদনে বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বাঘরা ইউনিয়নে কাঠালবাড়ি মৌজায় করম আলী শারং, মোকলেছ, ওহাব,ছাইদ হাজী মো.আনোয়ার আলী লিজ ও খাস সম্পত্তির জমি ও ফসলি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে মামুন বাহিনির গংরা। তাদের বাহিনির ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চায় না। কাঠালবাড়ি মাটি বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত মামুন, মজিদ মোম্বার,শাহিনের এই সেন্ডিকেট তারা অন্যর মাটি জোর করে কেটে বিক্রয় করে।

অন্য খবর  প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতায় দেশ আজ উন্নয়নশীল: সালমান এফ রহমান

এই বিষয় মামুন বলেন, আমার খমতা আছে আমি মাটি কাটি । আমরা কোনো সরকারি জায়গা কাটি না, রেকর্ডকৃত মালিকানা জায়গা ফুট হিসেবে কিনে নিয়ে যাদের মাটির প্রয়োজন তাদের কাছে বিক্রি করি। অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, শ্রীনগর আড়িয়াল বিলের মাটি-লুটেরা,চাঁদাকাজ ও দস্যুদের অত্যাচাওে অতিষ্ঠ বিলপাড়ের বাসিন্দারা। চাহিদামতো চাঁদা না দিয়ে কৃষক তার কষ্টার্জিত ফসল পর্যন্ত ঘওে তুলতে পারছেন না। মাটিদস্যুদের তান্ডবে বিলীন হতে চলেছে বড় বড় ডাঙ্গার পাড়।

শ্রীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ ফয়েজুল ইসলাম বলেন, কারও কৃষি জমি জোর করে কেটে নিয়েলে ও ফসলি জমির মাটি কাটার সংবাদ অভিযোগ পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেব। আইন ও নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান থাকা সত্ত্বেও কিছুতেই কমছে না কৃষি জমির মাটি কাটা।

Comments

comments