শাহীন আহমেদের পক্ষে মনোনয়নপত্র ক্রয়

108
শাহীন আহমেদ

কেরাণীগঞ্জ থেকে শাহীন আহমেদকেই ফের উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী। তাই তিনিই হচ্ছেন আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী এমন গুঞ্জনই এখন কেরাণীগঞ্জের সাধারণ জণগনের মুখে মুখে। এমন লক্ষকে সামনে রেখেই ৫ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার শাহীন আহমেদের পক্ষে দলীয় মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ও কেরাণীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দগণ। এসময় কেরাণীগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি – সাধারণ সম্পাদকগণও উপস্থিত ছিলেন।

আগামী উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তরুন জননেতা শাহীন আহমেদকেই ফের উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এখানকার উঠতি ভোটাররা। স্থানীয় তরুন প্রজন্মের নেতা-কর্মীদেরসাথে আলাপের মাধ্যমে এমন তথ্য জানাগেছে। তাদের মতে তরুন এই আওয়ামী লীগ নেতা এরই মধ্যে স্থানীয় আওয়ামী লীগের আস্থার প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়কের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিপুল ভোটের ব্যবধানে পর পর দুইবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে স্থানীয় রাজণীতিতে নিজেকে টেনে নিয়ে এসেছেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে। তাইতো নিজ দলীয় কর্মী-সমর্থকসহ এলাকাবাসীর অধিক আগ্রহের কারনেই মনস্থির করেছেন আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হয়ে হেট্রিক জয়ের।

অন্য খবর  কেরানীগঞ্জে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১৪ মামলার আসামি নিহত

এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ আওয়ামী লীগ-যুবলীগ,ছাত্রলীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নতুন প্রজন্মের নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, এলাকাবাসীর অত্যন্ত আস্থাভাজন ও তাদের সুখ-দু:খের অংশিদার হিসেবে শাহীন আহমেদকেই আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আবারও উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়। এ উপজেলার উঠতি ভোটারদের মতে শাহীন আহমেদ আওয়ামী লীগের আহবায়ক হবার পর স্থানীয় রাজণীতিকে যেভাবে সুসংগঠিত করে সাজিয়েছেন এবং নেতা-কর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন সেখানে শাহীন আহমেদের বিকল্প কোন প্রার্থী নাই।

কালিন্দী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা হাজী মো. জাহিদ হোসেন রনি বলেন সারা কেরাণীগঞ্জ জুড়ে শাহীন আহমেদের রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। এলাকাবাসী তাদের যেকোন ধরনের চাহিদার সময় শাহীন আহমেদকেই কাছে পায়। কাজেই শাহীন আহমেদকেই এলাকাবাসী ফের উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে পেতে চায়।

ঢাকা জেলা ছাত্র লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইয়ামিন বলেন, শাহীন আহমেদ হচ্ছেন মাটি ও মানুষের নেতা। একদম তৃণমূল থেকে কিভাবে দলকে সু-সংগঠিত রাখতে হয়। কিভাবে তৃণমূলের একজন নেতা-কর্মীর মন জয় করা যায় এসব গুণাবলী তার মধ্যে বিদ্ধমান। এলাকাবাসী তাদের নেতা হিসেবে ঘুরেফিরে তাকেই সবসময় কাছে পায় তাই তারপ্রতি এলাকার সাধারণ জনগনের বড় রকমের একটা আস্থা তৈরী হয়েছে। এ আস্থা থেকেই এলাকাবাসী তাকে পুনরায় উপজেলঅ চেয়ারম্যান হিসেবে পেতে চায়।

অন্য খবর  নবাবগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম

Comments

comments