রোগী আছে ডাক্তার নেই- নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

200
নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

 ‘সকাল ৮ টায় না এসে, ডাক্তার আসেন ১০ টায়’ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী আছে, নেই ডাক্তার। তবে, ডাক্তার থেকেও না থাকার মতো। সরকারী নিয়মনীতি অনুযায়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে´ের ডাক্তার সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত ডিউটি করার কথা থাকলেও তারা প্রতিদিনই সকাল ১০ টা বা কেউ আবার ১১ টায়ও আসেন। আবার বেলা ২ টার আগেই দুপুর ১ টা হলেই চলে যান। এভাবেই কাটিয়ে দেয় বছরের পর বছর।

এসব বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নেই কোন ধরনের ব্যবস্থা। এবং এসব বিষয় গুলো সম্পর্কে সেবা নিতে আসা রোগীরা প্রতিনিয়িত তার কাছে অভিযোগ করলেও নেননি কোন ব্যবস্থা। দেখেও যেন তিনি দেখেন না কিছুই। ৯ অক্টোবর ২০১৯,সময় সকাল ৯:৫৪ মিনিটি। হাসপাতালে ডুকেই দেখা যায় হাসপাতালের আসল চিত্র। মনে হলো এ যেন সরকারী হাসপাতাল নয় , যেন সরকারী অন্য কোন দফতর। অন্যনান্য সরকারী দফতরে যেমন সকাল ১০ টা থেকে ডিউটি করেন কর্মকর্তারা, তেমনি হাসপাতালের ডাক্তারদেরও দেখা যায় এমন চিত্র। ৯:৫৪ মিনিট হলেও নেই ৩ টি কক্ষের ডাক্তার। ডাক্তারদের অপেক্ষায় প্রতিটি রুমের সামনে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায় অনেক রোগী । এমনকি অনেকেই সকাল ৯ টা থেকে দাড়িয়ে থাকতে থাকতে আরও রোগী হয়ে গেছে।

অন্য খবর  দোহার-নবাবগঞ্জকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলবো: সালমান এফ রহমান

তবে, এই তিনটি কক্ষের মধ্যে ২১ নাম্বার কক্ষের দায়িত্বরত ডাক্তার শাহীন রেজাকে আসতে দেখা যায় বেলা ১০:১৫ মিনিটে। ঐসময় তার কক্ষের সামনে দেখা যায় প্রায় ২০ জনেরও বেশি রোগী। এমনকি কোন এক রোগী তাকে বলেছে , স্যার অনেক্ষণ ধরে বসে আছি, আপনাকে খুজছি। একথায় ডাক্তার শাহীন রেজা উওর দেন- খুজতে থাকেন।

উপজেলার চন্দ্রখোলা এলাকা তেকে আসা কৃষ্ণ নামের এক রোগী প্রতিবেদককে বলেন, আমি সকাল সাড়ে ৯ টারও আগে এসেছি হাসপাতালে। প্রায় ১ ঘন্টা বসে থাকার পর ১০:৫৪ মিনিটে ডাক্তার এসেছেন।

এবিষয়ে ২১ নাম্বার কক্ষের কর্মরত ডাক্তার শাহীন রেজার কাছে সরকারী ডিউটির ‘সময়’ জানতে চাইলে তিনি বলেন , অফিসে গিয়ে জিঞ্জেস করেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি দেখা হবে। এবং প্রতিনিয়তই আমরা প্রতিটি ডাক্তারদের বলে থাকি নিদিষ্ঠ সময়ে অফিসে আসার জন্য।

এবিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ.এম সালাউদ্দিন মনজু বলেন, বিষটি আসলে আমার জানা নেই। তবে, নির্ধারিত সময়ে যদি কোন ডাক্তার ডিউটিতে না আসে তাহলে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্য খবর  গালিমপুর রহমানিয়া বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন

Comments

comments