মিথ্যা ধর্ষণচেষ্টা মামলায় দোহারের এক নারীর কারাদন্ড

786

ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় দোহারের এক নারীকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের দণ্ড দেয়া হয়েছে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রোববার ঢাকার ৫নং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তানজিলা ইসমাইল এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত বাদী ঢাকা জেলার দোহার থানার পূর্ব লটাখোলা গ্রামের মৃত নূরুল ইসলামের স্ত্রী ফিরোজা বেগম ওরফে ফেরু। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত বাদী ও পাল্টা মামলা করা আসামিরা ট্রাইব্যুনালে হজির ছিলেন।

ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি আলী আসগর স্বপন জানান, মিথ্যা মামলা করার অপরাধে বাদীকে দণ্ড দেয়ার পর দণ্ডিত ওই নারী আপিলের শর্তে জামিন চাইলে তা মঞ্জুর করেছেন বিচারক। নথিসূত্রে দেখা গেছে, ২০১২ সালের এপ্রিল ফিরোজা বেগম ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেন। বাদী জবানবন্দি নিয়ে অভিযোগটি এজাহার হিসাবে গণ্য করে তদন্তের নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। ১২ এপ্রিল দোহার থানা অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে মামলা দায়ের করে।

বাদী অভিযোগ করেন, একই বছরের ১৮ মার্চ পূর্ব লটাখোলা গ্রামের গিয়াস উদ্দিন গোপাল, মিন্টু ও আলম একই গ্রামের বাসিন্দা নারায়ণ দাসের পাকা ভবনের পেছনে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২০ মে অভিযোগটি সত্য নয় বলে মামলার আসামিদের অব্যাহতি দেয়ার আবেদন করে তদন্ত কর্মকর্তা ট্রাইব্যুনালে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। একইসঙ্গে মিথ্যা ঘটনায় আদালতে মামলা করার অপরাধে বাদীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রার্থনা করেন। পুলিশ প্রতিবেদনে বলা হয়, গিয়াস উদ্দিন গোলাপের সঙ্গে বসতবাড়ির জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বাদী আসামিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছেন।

অন্য খবর  নবাবগঞ্জ ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা

ওই বছরেই ১৬ জুলাই ট্রাইব্যুনাল প্রতিবেদনটি গ্রহণের পর আসামিরা বাদীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ ধারায় পাল্টা মামলা করেন।

 

Comments

comments