ভালো ফল করেও এমপিও পাচ্ছে না পিকেবি স্কুল

51

নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা, বক্সনগর ও গালিমপুর ইউনিয়নে শিক্ষার হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঢাকা-বান্দুরা আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে বর্দ্ধনপাড়া এলাকায় ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দে ব্যক্তিগত অর্থায়নে পিকেবি নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজসেবক আব্দুল বাতেন মিয়া নিজ অর্থায়নে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। শিক্ষার মান ভালো হওয়ায় ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠানটি উচ্চমাধ্যমিকে (একাদশ শ্রেণি) উন্নীত করা হয়। তবে ভালো ফলাফল করেও প্রতিষ্ঠানের এমপিও মিলছে না।

শিক্ষানুরাগী আব্দুল বাতেন মিয়া উপজেলার পাঠানকান্দা-কোমরগঞ্জ-বর্দ্ধনপাড়া এই তিনটি গ্রামের নামের আদ্যক্ষর নিয়ে পিকেবি উচ্চ বিদ্যালয় নাম দিয়ে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে বর্তমানে ষষ্ঠ শ্রেণি-দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সহস্রাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ৪৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়ে গভর্নিং বডি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

২০০৩ খ্রিষ্টাব্দে মাধ্যমিক স্তরের প্রাথমিক পাঠদানের অনুমতি সাপেক্ষে ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দে বিদ্যালয়টি প্রথমবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উপজেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে। এ ছাড়া ২০১২ খ্রিষ্টাব্দের জেএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি ৩৯টি বিদ্যালয়ের মধ্যে উপজেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে। এরপর থেকে প্রতি বছরই উপজেলায় ভালো অবস্থানে থাকছে প্রতিষ্ঠানটি।

অন্য খবর  অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার আনোয়ারের  

২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠানটি একাদশ শ্রেণি চালুর মাধ্যমে ‘পিকেবি স্কুল অ্যান্ড কলেজ’-এর যাত্রা শুরু করে। ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে উচ্চমাধ্যমিক বোর্ড পরীক্ষায় প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করে উপজেলার মধ্যে তৃতীয় স্থান অর্জন করে। তবে এখনও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে একাডেমিক স্বীকৃতি মেলেনি। এমপিওভুক্ত না হওয়ায় নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান অধ্যক্ষ শাহ আজিজুর রহমান বলেন, আমাদের স্কুল শাখাটি এমপিওভুক্ত রয়েছে। কলেজ শাখাটি হলে শিক্ষার মান বাড়বে। বর্তমানে স্কুলের ফান্ড থেকে কলেজ চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. জোনায়েত বাতেন বলেন, প্রতি বছরই উপজেলার মধ্যে ভালো ফল করে পিকেবি স্কুল অ্যান্ড কলেজ। কলেজ শাখাটি এমপিওভুক্ত হলে শিক্ষার্থীরা বেশি উপকৃত হবে।

Comments

comments