বৃদ্ধা বেগমের পাশে দাড়ালেন শামীমা রাহিম শীলা

168
বৃদ্ধা বেগমের পাশে দাড়ালেন শামীমা রাহিম শীলা

নাম বেগম ,বয়সটা প্রায়( ১০০) এর ছুইছুই । স্বামী সন্তান হারা বৃদ্ধা মহিলা বেগম। বয়সের ভারে চলাচল করতে অনেক কষ্ট হয় । বয়সটা প্রায় ১০০ কাছাকাছি । স্বামী মারা গিয়েছে অনেক আগেই । নিজের নেই কোন ছেলে,মেয়ে । তাই দত্তক হিসেবে এক ছেলে এবং এক মেয়েকে নিয়ে আসেন । নিজের সবটুকু দিয়ে সেই ছেলে এবং মেয়ের জন্য করেছেন এই বৃদ্ধা । কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম অবিচার । সেই পালিত ছেলে,মেয়ের দ্বারাই আজ সে সব চেয়ে অবহেলীত একজন মানুষ । বৃদ্ধা তার মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পালিত ছেলে,মেয়ের জন্য করেছিলেন সব কিছুই । যাদের জন্য সে এতো কিছু করলো তার স্থান পথে ঘাটে,মাঠে কিংবা রাস্তার ধারে । পালিত ছেলে,মেয়ের দ্বারা পেয়েছেন শুধু অবহেলা অপমান । তাদের কাছ থেকে কখনো একটু সম্মান শ্রদ্ধা পায় নি । ঘটনাটি দোহার উপজেলার মধুরচর গ্রামে ।

মধুর চর গ্রামের বাসিন্দা নাম না জানানোর শর্তে কথা বলতে রাজি হয় । তার কাছ থেকে জানা যায় বৃদ্ধা মহিলা তার পালিত ছেলে,মেয়েদের দ্বারা দীর্ঘ দিন ধরেই নির্যাতিত । তাকে যেখানে সেখানে ফেলে রাখা হতো । সবশেষে তার এখন বসবাস দোহারের একটা বৃদ্ধাশ্রমে । বৃদ্ধার অবহেলার খবর শুনতে পেয়ে তার পাশে দাড়ান দোহার উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সদস্য ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটি’র সদস্য শামীমা রাহিম শীলা । শামীমা রাহিম শীলা বৃদ্ধা মহিলার জন্য তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে আর্থিক সহযোগীতা করেন । যা বৃদ্ধার জন্য একটু হলেও সাহায্য করবে ।

অন্য খবর  কলাকোপায় নবাবগঞ্জের নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সংবর্ধনা

শামীমা রাহিম শীলা মানুষের বিপদ আপদ দেখলেই সেখানে ছুটে যান কেন? জবাবে শামীমা রাহিম শীলা বলেন, আমি দীর্ঘ ৫ বছর এই উপজেলা বাসীর জনপ্রতিনিধি ছিলাম । তার চেয়ে বড় কথা হলো আমরা সবাই মানুষ । আর মানুষের বিপদে আপদে মানুষ এগিয়ে আসবে এটাই স্বাভাবিক । তাই আমার নিজের দায়িত্ব কর্তব্য থেকে আমি মানুষের পাশে থাকি। আমি সদ্য বিদায়ি জনপ্রতিনিধি এটা ঠিক তবে আগে যেমন দোহার বাসীর পাশে ছিলাম আগামী দিনেও থাকবো ইনশাআল্লাহ্‌ ।

Comments

comments