বাংলাদেশের ম্যাচ কোথায়?
বিজ্ঞাপন

বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৯ এর সূচি প্রকাশ করেছে ইএসপিএন ক্রিকইনফো। তারা বলছে, এই সূচিই আইসিসির এক্সিকিউটিভ সভায় উত্থাপনের পর চূড়ান্ত হবে। ৩০ মে শুরু হয়ে ১৫ জুলাই হবে ১০ দলের বিশ্বকাপের ফাইনাল। সূচির উল্লেখযোগ্য দিক-

বাংলাদেশ- ওভাল থেকে লর্ডস

রাউন্ড-রবিন পর্যায়ে বাংলাদেশ ৯টি ম্যাচ খেলবে ৮টি ভেন্যুতে। শুধু ওভালে দুইটি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ম্যাচটিই বাংলাদেশের একমাত্র দিবা-রাত্রির। জুনের ২ তারিখে প্রথম ম্যাচ দঃ আফ্রিকার সঙ্গে, গ্রুপ-পর্বের শেষ ম্যাচ লর্ডসে পাকিস্তানের সঙ্গে। সাউদাম্পটনে আফগানিস্তানের সঙ্গে খেলার পর ৭ দিন বিরতি পাবে বাংলাদেশ, বার্মিংহামে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের আগে।

ইংল্যান্ডের ‘বাড়তি সুবিধা’?

স্বাগতিক ইংল্যান্ড ছুটে বেড়াবে গ্রুপ-পর্বে। শুধুমাত্র তারাই একাধিক ম্যাচ একটি ভেন্যুতে খেলবে না। ওভাল, নটিংহাম, কার্ডিফ, সাউদাম্পটন, ম্যানচেস্টার, লিডস, লর্ডস, বার্মিংহাম ও চেস্টার-লি-স্ট্রিটে ম্যাচ তাদের। নক-আউট পর্বের তিনটি ভেন্যু ম্যানচেস্টার, বার্মিংহাম ও লর্ডসে তাই প্রথম পর্বেই খেলার সুযোগ পাবে তারা, স্বাগতিক হিসেবে ‘বাড়তি সুবিধা’ সূচিতে তাদের জন্য এতোটুকুই।

রাত-দিন পার্থক্য

ইংল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা- এই চার দলের কোনও দিবা-রাত্রির ম্যাচ নেই। সাতটি দিবা-রাত্রির ম্যাচের মধ্যে নিউজিল্যান্ড খেলবে চারটিতেই, অস্ট্রেলিয়া ও আফগানিস্তান খেলবে তিনটি করে। সেমিফাইনাল ও ফাইনাল হবে দিনে।

অন্য খবর  ঘরের মাঠেই শেষ জিম্বাবুয়ের বিশ্বকাপ-স্বপ্ন

ওল্ড ট্রাফোর্ডে ধুন্ধুমার

১০টি শহরের ১১টি ভেন্যুতে হবে বিশ্বকাপ। ভারত-পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ হবে ওল্ড ট্রাফোর্ডে। এ ভেন্যুতেই হবে একটি সেমিফাইনালও।

সেই পুরোনো চক্র

শেষ এমন ফরম্যাটে বিশ্বকাপ হয়েছিল ১৯৯২ সালে। তবে সেবার লেগেছিল ৩৩ দিন। এবার একটি দল বেশি খেলবে, ম্যাচ তাই হবে বাড়তি ৯টি। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের ফরম্যাট আলাদা ছিল, তবে সেবার লেগেছিল ৪৪ দিন। এবার দলের সংখ্যা কমিয়েও মোট সময় লাগবে ৪৬ দিন। সময়টা তাহলে ব্যাপার নয়, আইসিসি!

Comments

comments