বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ৮০,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে আরব আমিরাত

    89

    বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ১০ বিলিয়ন বা ১০০০ কোটি ডলার (৩৭.৭ বিলিয়ন দিরহাম) বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনিয়োগকারীরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশি  পেশাদার ও উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরাম সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    সূত্র জানায়, প্রথমবারের মতো সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশি পেশাদার ও উদ্যোক্তা ভিত্তিক বেসরকারি খাতের উদ্যোগে বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরাম আয়োজিত উপসাগরীয় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবে। প্রায় ২০টি নতুন বিনিয়োগ প্রকল্প বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরামে সামনে উপস্থাপন করা হবে। যেখানে বিনিয়োগকারীরা সালমান এফ রহমান ও সফররত বাংলাদেশের সরকারি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে তাদের প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করবেন।

    এদিকে আজ রোববার দুবাইয়ের কনরাড হোটেলে বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরামের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরামের দ্বিতীয় আয়োজনে মূল বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

    তিনি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ’র (বিএইচটিপিএ) কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত ২০ সদস্যের সরকারি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ধারকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে তিন’শ এর বেশি সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী নেতা, বিনিয়োগকারী এবং উদ্যোক্তারা দিনব্যাপী এ সম্মেলনে অংশ নেবেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের অর্থনীতিতে বেশিরবাগ বিনিয়োগকারী বাংলাদেশি। সেখানে পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি ব্যবসায়ী সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রায় দেড় লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন ।

    অন্য খবর  দোহারে বাড়ছে ভাঙনের তীব্রতা: আতঙ্কে নদী তীরের বাসিন্দারা

    ২০১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৭.৯ শতাংশ। বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের পথে রয়েছে যা পরবর্তী কয়েক বছরে অর্থনীতিকে প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পাবে। যা বাংলাদেশকে বিশ্বের দ্রুত বর্ধমান অর্থনীতিতে পরিণত করবে। ৮ শতাংশের বেশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে বাংলাদেশের প্রচুর দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন যা টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জিসিসি ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগের প্রধান উৎস হতে পারে। দেশের ভবিষ্যত অর্থনীতি গঠনে সহায়তা করতে এ বিনিয়োগের অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    Comments

    comments