বাঁধের বাধা দেয়ার অভিযোগঃ নিরাপত্তাহীনতায় ঠিকাদার

684

দোহারের মানুষের বহুল প্রত্যাশিত পদ্মা বাধের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে গেলেও স্থানীয় চাদাবাজদের কারনে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে দোহারের মানুষের এই বহুল প্রত্যাশিত বাঁধ। ধোয়াইর বাজারের স্থানীয় মোসলেম মাদবর ও মান্নান মাদবর বাধের কাজের জন্য চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাঁধের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার সোরহাব আহমেদ।  এবং চাঁদা না দিলে তাকে বাধেঁর কাজ করতেও দিবে না বলে হুমকি দিয়েছেন মোসলেম মাদবর ও মান্নান মাদবর।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় ভূমিদস্যু হিসাবে পরিচিত মোসলেম মাদবর ও মান্নান মাদবর এলাকায় বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকান্ডের জন্য পরিচিত। সময়ের সাথে সাথে রাজনৈতিক দল পরিবর্তন করে সুবিধাভোগ কারী এই দুই ভাই এবার তাদের নোংরা হাত বাড়িয়ে দিয়েছে দোহার বাসীর স্বপ্নের পদ্মা বাঁধের দিকে। বাঁধের কাজের শুরু থেকেই বিভিন্ন ভাবে বাধা প্রদানকারী এই দুই ভাই এবার চাঁদা দাবি করেছেন বাধের ঠিকাদার সোরহাব আহমেদের কাছে। এবং চাঁদা না দিলে বাধেঁর কাজ বন্ধ করে দিবেন বলে হুমকিও দিয়েছেন এই দুই ভাই।

পরবর্তীতে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা সোরহাব আহমেদ স্থানীয় নয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ হান্নানের কাছে ফোন দিলে তিনি সেখানে উপস্থিত হলে চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতেই ঠিকাদার ও চেয়ারম্যানের উপর তেড়ে যান এবং তাদের মারধোর করতে যান।

অন্য খবর  রাস্তার মাঝে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটী সরানোর দায়িত্ব কার...?

এই ব্যাপারে নিউজ৩৯ এর কাছে শামীম আহমেদ হান্নান জানান, তারা তাদের কয়েক ভাই মিলেই বাধেঁর কাজের শুরু থেকেই এই কাজের বিরোধিতা করছে। এর আগে কয়েকবার তারা কাজের বাধাও সৃষ্টি করেছে। তাদের বাধার জন্য ধোয়াইর বাজারে বস্তার স্লোপিং করা যাচ্ছে না। এবং  তারা বাধের এড়িয়ার মধ্যে ঘর করে রেখেছে। ফলে কোন কাজও এগিয়ে নেয়া যাচ্ছে না। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। তারা সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবে বলে জানিয়েছে।

এই ব্যাপারে নিউজ৩৯ এর কাছে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম আল আমিন বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর অফিসের কাজে ঢাকায় ব্যস্ত থাকায় ঘঠনাটি জানা হয় নি। তবে বাধেঁর কাজে কেউ যদি বাধা প্রদান করে থাকে তবে অবশ্যই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি থানাকে অতি দ্রুত ব্যাপারটা নিশ্পত্তি করতে নির্দেশ দিবেন বলে জানান।

এই ব্যাপারে নিউজ৩৯ এর কাছে দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ সিরাজুল ইসলাম লিটু বলেন, ব্যাপারটা একটু ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে। এর বেশি কিছু না।

Comments

comments