ফেব্রুয়ারিতে আসছে ফোরজি

121

আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে চালু হতে যাচ্ছে টেলিকমিউনিকেশন সেবার সর্বাধুনিক সংস্করণ ফোরজি। শুরুতে বিভাগীয় শহরগুলোতে এ সেবা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী। সর্বাধুনিক এই ফোরজি সেবা চালু হলে দেশের তথ্য প্রযুক্তি ও টেলিকমিউনিকেশন খাতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

২০১২ সালের অক্টোবরে টেলিটকের মাধ্যমে দেশে চালু হয় থ্রি জি সেবা। দেশের বেসরকারি অপারেটররা থ্রিজি সেবা দেয়া শুরু করে ২০১৩ সাল থেকে। বৈশ্বিক মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন জিএসএম অ্যাসোসিয়েশন এর তথ্য মতে, এই মুহূর্তে বাংলাদেশে ২০ শতাংশ ইন্টারনেট সংযোগ থ্রিজি সেবার মধ্যে। এমন সময় ফোরজি সেবা চালুর প্রক্রিয়া চলছে বেশ জোরেশোরেই। দেশের মোবাইল অপারেটর বলছেন এ বিষয়ে তাদের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণসহ প্রযুক্তিগত উন্নয়নে কাজ চলছে।

এমটব’র মহাসচিব টি.আই,এম নুরুল কবির জানান, যদি আমরা একই সঙ্গে ফোর জি ইমপ্লিমেন্ট করতে পারি তাহলে গ্রাহকরা অনেক গতির ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশে ডিজিটালে সার্বিসে নতুন যুগের সূচনা হবে।’

ফোর জি লাইসেন্স পাওয়া এবং তা বাস্তবায়নের কিছু নীতিমালা তৈরি করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়। এখানে বলা হয়েছে প্রথম পর্যায়ে লাইসেন্স পাওয়ার ৯ মাসের মধ্যে সকল বিভাগীয় হেড কোয়ার্টারে এ সেবা দিতে হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে লাইসেন্স পাওয়ার ১৮ মাসের মধ্যে ৩০ শতাংশ জেলা হেড কোয়ার্টারে এ সেবা প্রদান করতে হবে।

অন্য খবর  রোববার থেকে অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানান, ‘সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এ সেবা দিতে পারবো। যাদের যেখানে টাওয়ার নেই, তারা টাওয়ারও শেয়ার করতে পারবেন। আর বিটিআরসি থেকে কঠোর মনিটরিং করা হবে। তারা স্পিডটা কতটুকু দিতে পারছে।’

বাংলাদেশ মোবাইল ফোন নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসির তথ্য মতে, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৪ কোটি। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সংখ্যা ৭ কোটি ৯২ লাখ। যার মধ্যে ৭ কোটি ৩৮ লাখ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন।

Comments

comments