প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফল হস্তান্তর, এসএসসিতে পাসের হার ৭৭.৭৭

22
প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফল হস্তান্তর, এসএসসিতে পাসের হার ৭৭.৭৭
বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর করা হয়েছে। এবার এসএসসিতে পাসের হার ৭৭. ৭৭ শতাংশ। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৬১৯ জন। রবিবার সকালে ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলের অনুলিপি হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

এরপর দুপুর ১টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল ঘোষণা করবেন তিনি। দুপুর ২টার পর থেকে পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ স্কুল থেকে ফল জানতে পারবেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, আটটি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৭৯.৪০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৪৫ জন। মাদ্রাসায় পাসের হার ৭০.৮৯, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩৭১ জন। কারিগরিতে পাসের হার ৭১.৯৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪১৩ জন। এসএসসিতে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা ভালো ফল করেছে। মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় ২.১৪ শতাংশ বেশি পাস করেছে।

দশ বোর্ডে এবার মোট ২০ লাখ ২৬ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ১৪ লাখ ৪৩ হাজার ৩৮২ জন।

গতবছর পাসের হার ছিল ৮০ .৩৫ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৪ হাজার ৭৬১ জন। সেই হিসাবে এবার পাসের হার ২.৫৮ শতাংশ পয়েন্ট কমেছে। আর জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৫ হাজার ৮৬৮ জন।

অন্য খবর  শেখ হাসিনার প্রশংসায় জাস্টিন ট্রুডো

গত ১-২৫ ফেব্রুয়ারি এসএসসি’র তত্ত্বীয় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ মার্চ পর্যন্ত। এবার দেশের তিন হাজার ৪১২টি কেন্দ্রে ২০ লাখ ৩১ হাজার ৮৮৯ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। তবে প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবারের এসএসসি পরীক্ষাকে ঘিরে। গত ৩ মে প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন হাতে পেয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জানান, এসএসসি পরীক্ষা বাতিল হবে না, প্রশ্নফাঁসের সুবিধাভোগী মাত্র ০.২৫ শতাংশ। সেদিনের সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নৈর্ব্যত্তিক (এমসিকিউ) প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে ১৭টি বিষয়ের মধ্যে ১২টি বিষয়ের শুধু ‘খ’ সেটের। আর তা হয়েছে পরীক্ষার ২০ মিনিট সময় আগে। এতে ২০ লাখের বেশি পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ অর্থাৎ পাঁচ হাজার পরীক্ষার্থী সুবিধাভোগী। এরমধ্যে অনেকেই আটক ও বহিষ্কার হয়েছে এবং ব্যবস্থার আওতায় রয়েছে। তাই কোনও পরীক্ষা বাতিল করার প্রয়োজন নেই।

Comments

comments