নয়নশ্রীতে খোলা ভবনে পাঠদান, আর্থিক সংকটে নির্মাণ কাজ বন্ধ

26

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়নের খানেপুরে ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় খানেপুর ইসলামিয়া ইবতেদায়ী মাদরাসা। স্থানীয় শিশুদের মাঝে ধর্মীয় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতেই প্রতিষ্ঠানটি নির্মাণ করা হয়। নয়নশ্রী ইউনিয়নের একমাত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা হওয়ায় এলাকাবাসীও সহযোগিতায় এগিয়ে আসে। তবে আর্থিক সংকটের কারনে বর্তমান খোলা ভবনে পাঠদান করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

স্থানীয় ও প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে স্থানীয় বাসিন্দা সাংবাদিক রাশিম মোল্লা, আবদুল্লাহ মো. হারুন, এলাকাবাসী ও কুয়েত প্রবাসীদের সহযোগিতায় শুরু হয় মাদরাসাটির কার্যক্রম। কিছুদিন পর কুয়েত প্রবাসী মো আায়ুব আলী মোল্লা, আয়ুব হোসেন, চুন্নু মিয়া, মো. সোহেল মোল্লা ও  গ্রামবাসীরা উদ্যোগ নেন ভবন নির্মাণের। তারা অনুদান দিয়ে সহযোগিতা করেন প্রতিষ্ঠানটিকে। শ্রেণীকক্ষ সংকটের কারণে তিনতলা একটি ভবন নির্মাণের কার্যক্রম চলছে সেই অনুদানে। তবে অর্থ সংকটের কারনে একতলা ভবনের কাজও শেষ করতে পারেনি প্রতিষ্ঠান কর্র্তৃপক্ষ। বন্ধ রয়েছে ভবন নির্মাণে কাজ। শুরু থেকে আজ অবধি বাইরের কিংবা সরকারের কোনো সহযোগিতা ছাড়াই চলছে এই প্রতিষ্ঠানটি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চারপাশ খোলা ভবনে ক্লাশ করতে হচ্ছে ছোট্ট শিশু শিক্ষার্থীদেরকে। ফলে পড়াশুনায় মন বসাতে পাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা জানান, ভবন না থাকায় তাদের অনেক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে গরমে ক্লাশ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে অনেক শিক্ষার্থীরা।

অন্য খবর  নবাবগঞ্জ উপজেলা শিক্ষক সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন

 শিক্ষকরা জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীদের বিনা বেতনে পড়ানো হয়। এখন চরম আর্থিক সংকটের কারণে মাদরাসাটি বন্ধের উপক্রম হয়েছে। মাদরাসাটি বন্ধ হয়ে গেছে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন এলাকার শিক্ষার্থীরা।

মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাজী আব্দুল বারেক ভূইয়া বলেন, এলাকাবাসী ও কয়েকজন কুয়েত প্রবাসীরা মাদরাসার উন্নয়নে সহযোগিতা করে আসছে। সরকারিভাবে সহযোগিতা না পাওয়ায় বর্তমান আর্থিক সংকটের কারনে বন্ধ হওয়ার পথে মাদরাসাটি। মাদরাসাটি ধর্মীয় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে এলাকার কোমলবর্তী শিক্ষার্থীরা। মাত্র ৫ লাখ টাকা হলে ভবনটির নির্মাণ কাজ শেষ করা যাবে বলে জানান তিনি। তাই বাকী কাজটুকু সম্পন্ন করার জন্য সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানান তিনি ।

Comments

comments