মাহবুবুর রহমান

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার দোহার পৌরসভার সাধারন মানুষের সাথে দোহার পৌরসভা উন্নয়ন নিয়ে পৌরবাসীর সাথে মত বিনিময় করেছেন ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। এই সময় জয়পাড়া, ইউসুফ, লস্করকান্দা ও রসুলপুর গ্রামের বিভিন্ন রাস্তার উন্নয়নমূলক কাজের জন্য রাস্তার মাপ নেয়া হয়।

ঢাকা জেলা পরিষদের উদ্যোগে ২৩ সেপ্টেম্বর দুপুর ৩ টার দিকে ইউসুফপুর বাজার এর মধ্য দিয়ে একটি রাস্তার উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেন ঢাকা জেলা পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা মাহবুবুর রহমান। এরপর তিনি  এলাকাবাসীদের উদ্যগে  মত বিনিময় সভায় যোগদান করে। মত বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জনাব পিয়ার আলী মাদবর।

এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। এই উন্নয়ন কাজ অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার সরকারের বিকল্প কিছু নেই।

তিনি আরো বলেন যে আমি আজ যে রাস্তাটি দিয়ে এসেছি এই রাস্তাটি নাজেহাল অবস্থা তাই আমি এই রাস্তাটিও মেরামত করবো আর ঢাকা জেলা পরিষদ এর অধিনে এই রাস্তা গুলো আরসিসি রাস্তা করবো কারন পিচ ডালাইয়ের রাস্তা করলে বৃষ্টির পানিতে অতি তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায় আর এই আরসিসি রাস্তা করলে আগামী ৫০ বছরেও কিছু হবে না।

অন্য খবর  কলেজ মোড় থেকে দুই সোনা চোরাকারবারী আটক

তিনি আরো বলেন যে আমি দেখেছি যে দোহার পৌরসভার পশ্চিম পাশ দিয়ে যে উয়াল ঘেসে রাস্তাটি গেছে সেটিও বেহাল দশা আথচো আমি পৌরসভা পিছনে গিয়ে দেখি যে সেখানে বেশীরভাগ ঘরবাড়ি পাকা আর এই অবস্থায় পৌরসভা কি করছে কোন উন্নয়ন নাই।

এ সময় উপস্থিত দোহার আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল  তার বক্তব্য বলেন ,আমি যখন মাহাবুবুর রহমান এর সাথে গাড়িতে বসে আসছি তখন তাকে বললাম যে পৌরসভার অধিনে এমন রাস্তা আছে আমরা ভিতরে না আসলে জানতাম না। তিনি এলাকাবাসীকে বলেন যে আপনারা তো পৌরসভায় ট্যাক্স দেন তাহলে আপনারা পৌরসভার উন্নয়নের ব্যাপারে মেয়রকে বলেন না কেন। এই সময় উপস্থিত জনতা অভিযোগ করে বলেন যে আমরা গিয়ে শুধু ঝারি ছাড়া আর কিছু পাই নাই।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তৌহিদ চৌধুরী, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আমজাদ হোসেন খান, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমসহ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা।

Comments

comments