দুই মামলার পরবর্তী শুনানি ১৫ জুন খালেদা জিয়ার

209
আদালতে হাজিরা দিলেন খালেদা, সময় আবেদন মঞ্জুর

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বাদীর পুনঃজেরা আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত মুলতবি করেছেন আদালত। অন্যদিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত আত্মপক্ষ সমর্থন পিছিয়ে একই দিন পুনর্নির্ধারণ করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (৮ জুন) খালেদার আবেদনে দুই মামলারই পরবর্তী শুনানির এ দিন ধার্য করেন রাজধানীর বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামানের আদালত। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ওই দুই দুর্নীতি মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলছে এ আদালতে।

দুটি মামলায়ই প্রধান আসামি খালেদা জিয়ার ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন ধার্য ছিল বৃহস্পতিবার। এর মধ্যে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় অসমাপ্ত লিখিত বক্তব্য পাঠ ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বক্তব্য উপস্থাপন শুরুর কথা ছিল।

তবে আদালতে হাজির হয়ে আগামী ঈদ পর্যন্ত দুটি মামলায়ই শুনানির দিন পেছাতে সময়ের আবেদন জানান খালেদা। অন্যদিকে অরফানেজ মামলায় সাক্ষী রি-কলেরও (ফের জেরা) আবেদন জানান। এ ছাড়া মামলার বিষয়ে তার একটি আবেদনের শুনানির দিন আগামী ৩ জুলাই ধার্য রয়েছে উচ্চ আদালতে বলে উল্লেখ করা হয় আবেদনে।

অন্য খবর  খালেদা জিয়ার চোখে সফল অস্ত্রোপচার

আবেদনের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন খালেদার আইনজীবী ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন প্রমুখ।

পরে আদালত খালেদার আবেদন মঞ্জুর করে আদালত অরফানেজ মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক হারুন-অর রশিদের পুনঃজেরার আদেশ দিলে তাকে আংশিক জেরা করে সময়ের আবেদন জানান খালেদার আইনজীবীরা।

আগামী ১৫ জুন অসমাপ্ত জেরা ও চ্যারিটেবলে অসমাপ্ত আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

চ্যারিটেবলে গত বছরের ১ ডিসেম্বর আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করতে শুরু করেন খালেদা। কিন্তু ওই দিন বক্তব্য শেষ না হওয়ায় সময় চান তিনি। এরপর কয়েক দফায় আদালতে না গিয়ে সময় বাড়িয়ে নেন। অন্যদিকে উচ্চ আদালতে নানা আবেদন ও অসুস্থতার কথা বলে বেশ কয়েকবার পিছিয়ে নিয়েছেন অরফানেজে আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন।

চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় মোট আসামি চারজন। খালেদা ছাড়া অভিযুক্ত অপর তিন আসামি হলেন খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ এর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা।

অন্য খবর  ইমামদের সঠিক বয়ান দেওয়ার অনুরোধ হাইকোর্টের

 

 

Comments

comments