খুসকি দূর হবে নিম ও তুলসিপাতায়

1270

খুশকিতে মাথা চুলকানো, চুল রুক্ষ্ম করে দেয়া, ভেঙে যাওয়াসহ চুলের আগাফাটার সমস্যা সৃষ্টি করে। তাই ঠিক এই সময়টাতে মাথার ত্বকে খুশকি দেখা না দিলেও প্রতিরোধক হিসেবে কিছু যত্ন নেয়া চাই। তাছাড়া যারা এই সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য চুলের সঠিক যত্ন নেয়া অনিবার্য। কিন্তু নাছোড়বান্দা খুশকি তাড়ানোর উপায় কি? এক্ষেত্রে খুশকি তাড়িয়ে ঝলমলে চুল পেতে ত্বরিৎ গতির কিছু সমাধান হতে পারেন নিম পাতা ও তুলশীপাতা ব্যবহারে।

১। সম পরিমান নিমপাতা আর তুলসিপাতার ১ টেবিল চামচ শুকনো গুঁড়া নারিকেল তেলে মিশিয়ে মাথার ত্বকে দিন। এভাবে রেখে দিন পুরো রাত জুড়ে। পরের দিন শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিলেই হল। এই মিশ্রণটি মাসে একবারই যথেষ্ট। খুশকির অযথা বিড়ম্বনা পোহাতে হবে না।

২। নারিকেল তেল ৩ টেবিল চামচ এবং লেবুর রস ২ টেবিল চামচ একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি চুলের গোঁড়ায়, মাথার ত্বকে ভালো করে ঘষে লাগিয়ে ম্যাসাজ করতে হবে পাঁচ মিনিট ধরে। এবার অপেক্ষা করুন ২০ থেকে ২৫ মিনিট তারপর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার ব্যবহারে দ্রুত খুশকির হাত থেকে মুক্তি পেতে পারেন, চুলও ঝলমলে হবে।

অন্য খবর  সহজেই তৈরি করুন কাঁচা আমের চাটনি

৩। সাদা ভিনেগার পুরো চুলে ও মাথার ত্বকে তেলের মতো করে লাগিয়ে নিন। একটু বেশি করে লাগিয়ে তোয়ালে দিয়ে পুরো মাথা পেঁচিয়ে সারারাত রাখতে হবে। পরের দিন সকালে চুল ধুয়ে ফেলুন শ্যাম্পু করে। সপ্তাহে ২ বার করলে উধাও হবে যন্ত্রণাদায়ক খুশকি।

৪। খুশকি তাড়াতে অ্যাসিডিটি নিরোধক অতিপরিচিত ৩ টি অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট গুঁড়ো করে নিন। এবার তার সঙ্গে ১ টেবিল চামচ ভিনেগার দিয়ে এই ট্যাবলেট গুঁড়ো গুলিয়ে মাথার ত্বকে ঘষে লাগিয়ে দিন। দেড় ঘণ্টা মাথায় রেখে মিশ্রণটি ধুয়ে ফেলুন পানি দিয়ে। খুশকির সমস্যা দ্রুত চলে যাবে।

৫। সারারাত ভেজানো মেথি সকালে মিহি করে বেটে নিন। মেথি ভেজানো পনি ফেলে না দিয়ে সংরক্ষণ করুন। এবার বাটা মেথি চুলের গোঁড়ায় মাথার ত্বকে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ২ থেকে ৩ ঘণ্টা রেখে চুল ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। চুল ধোয়ার পর মেথি ভিজিয়ে রাখা পানি দিয়ে সব শেষে চুল ধুয়ে নিন। এভাবে সপ্তাহে ২ বার করতে পারলে খুশকির সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

Comments

comments