কেরানীগঞ্জে স্কুল ছাত্র আবদুল্লাহ হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

359
বিজ্ঞাপন

কেরানীগঞ্জে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আবদুল্লাহকে অপহরণ করে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামি খোরশেদকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। বুধবার ঢাকার ৩ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাঈদ আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে বলা হয়, আসামি শামীমকে ১০ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, আসামি মিতুকে এক বছরের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ১ মাসের কারাদণ্ড। অপর আসামি নাসিমাকে খালাস প্রদান করা হয়। আসামি খোরশেদকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছে আদালত।

কেরানীগঞ্জের রুহিতপুর ইউনিয়নের মুগারচর গ্রামের পশ্চিম মুগারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র মো. আবদুল্লাহ ২০১৬ সালের ২৯ জানুয়ারি দুপুরে নিখোঁজ হয়। ওই দিনই আসামি মেহেদী হাসান ওই শিশুকে বাড়ির দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যায় এবং আসামি মোতাহার ও খোরশেদ মুখ চেপে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

হত্যার পর আবদুল্লাহর লাশ প্লাস্টিকের ড্রামে ভরা হয় এবং আসামি কায়কোবাদকে লাশ ফেলার জন্য ভাড়া করা হয়। এর আগে মুঠোফোনে তাকে অপহরণের দাবি করে দুই দফায় ২ লাখ টাকা নেয় অপহরণকারীরা।

অন্য খবর  ডিএনএ পাওয়া অজ্ঞাত দু’জনকে শনাক্তকরণের চেষ্টা

২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আবদুল্লাহর বাড়ির মাত্র ১০০ গজ পশ্চিমে মোতাহার হোসেনের বাড়ির একটি কক্ষ থেকে প্লাস্টিকের ড্রামে ভরা আবদুল্লাহর গলিত লাশ উদ্ধার হয়।

 

Comments

comments