কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অভিযানে ১৬৪টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

34
বুড়িগঙ্গা

ঢাকার কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদীর কামরাঙ্গীরচর ও খোলামোড়া এলাকায় বিআইডব্লিউটিএ’র উদ্যোগে দখল হওয়া অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার জন্য অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে । আজ মঙ্গলবার(২৯জানুয়ারী) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এ অভিযান চলে। এসময় ২টি সাততলা ভবন, ২টি পাঁচতলা ভবন, ৩টি দুইতলা ভবন ৪টি একতলা পাকা ভবনসহ ১৬৪টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই উচ্ছেদ অভিযানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএ’র পরিচালক (বন্দর) শফিকুল হক, যুগ্ম পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিন, উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান, সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম, নূর হোসেন স্বপন ও আসাদুজ্জামান মিয়া। পুলিশ, নৌ-পুলিশ, আনসার সদস্য ও শতাধিক শ্রমিক উচ্ছেদ অভিযানে বিআইডব্লিউটিএ’র এই উচ্ছেত অভিযানে সহায়তা করে।

ঢাকা নদী বন্দরের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে বুড়িগঙ্গা তীরের ৬শতাধিক অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব উচ্ছেদের জন্য ১১দিনের একটি ক্রাশ প্রোগ্রাম হাতে নেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রথম দিন কয়েকটি বহুতল ভবন, আধাপাকা ভবন, ঝুপড়িঘর, টং দোকানসহ ১৬৪টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।

অন্য খবর  নবাবগঞ্জে আদালতের নির্দেশে কবর থেকে গৃহবধূর লাশ উত্তোলন

খোলামোড়া এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক এ্যাডভোকেট গাজী আমিন বলেন, আমার ৬তলা একটি ভবন ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। আমাকে কোন নোটিশ দেয়া হয়নি।আমার ভবনের উপর হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা আছে। কিন্তু বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এই নিষেধাজ্ঞা মানে নাই । আমার ভবন ভেঙ্গে ফেণায় আমি আজ পথে বসে গেলাম।

খোলামোড়া এলাকার মোঃ খলিল, মোঃ দিদার হোসেন ও মোঃ স্বপন মিয়া বলেন, আমাদেরকে কোন ধরনের নোটিশ দেয়া হয়নি। উচ্ছেদেও আগে নোটিশ দেয়া হলে আমরা আমাদেও স্থাপনাগুলো অন্যত্র সড়িয়ে নিতে পারতাম। কিন্তু হঠাৎ উচ্ছেদ করায় আমরা অনেক ক্ষতির সন্মুখিন হলাম।

Comments

comments