কেরানীগঞ্জে অপহৃত শিশু শরীয়তপুরে উদ্ধার, গ্রেপ্তার-৫

 

কেরানীগঞ্জে মো. সিফাত (৪) নামে এক শিশু অপহরণের বিশ দিন পর শরীয়তপুর থেকে উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় পাঁচ অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান, ঢাকা জেলা (অতিরিক্ত) পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। বুধবার গভীর রাতে শরীয়তপুরের নড়িয়া থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয় বলে জানান পুলিশ।

উদ্ধার শিশুটি মো. সিফাত বরিশালের মূলাদির উত্তর পাতারচরের মো. জামাল উদ্দিনের ছেলে। কেরানীগঞ্জ মডেল থানার দক্ষিণ মান্দাইল গ্রামে পরিবারের সাথে ভাড়া থাকতেন তিনি।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার মো. আলমগীর ইসলাম (৩৭), স্ত্রী আসমা বেগম (৩০), তার ভাই মো. জাকির শেখ (২৭), মো. আওলাদ শেখ (২৫) ও মো. ইমরান শেখ (২২)।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মনিরুল জানান, গত ৭ জানুয়ারী সকালে বাসা থেকে নিখোঁজ হয় সিফাত। অনেক খুঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে পরদিন শিশুটির বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারন ডায়রী করেন।

এরপর গত ১৬ই জানুয়ারি অপহরণকারীরা সিফাতকে অপহরণ করা হয়েছে জানিয়ে মুঠোফোনে শিশুটির মায়ের কাছে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপন দাবি করে। তখন শিশুটি অপহৃত হয়েছে বলে জানা যায় এবং নিখোঁজ জিডিটি অপহরন মামলায় রুপ নেয়।

অন্য খবর  ঢাকায় ৬৪২টি পূজা মণ্ডপ, প্রতিমা তৈরিতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

পরে শিশুটির পরিবার বিকাশের মাধ্যমে মুক্তিপন হিসেবে ৪৫ হাজার টাকা অপহরনকারীদের দেয়া মোবাইল নাম্বারে পাঠিয়ে দেয়। যে নাম্বারে বিকাশ করে মুক্তিপন দেয়া হয়েছিল তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জানা যায় সেটা ডলি নামে এক মহিলার নামে রয়েছে। রাজধানীর বাড্ডা থেকে তাকে গ্রেপ্তারের পর ওই মহিলার দেয়া তথ্য অনুযায়ী অপহরনের মুলহোতা আলমগীরকে কেরানীগঞ্জের মান্দাইল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে তার দেয়া তথ্যমতে, বুধবার গভীর রাতে শরীয়তপুরের নড়িয়া থানাধীন আনাখন্ড গ্রামে আলমগীরের নিজ বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় আলমগীরের স্ত্রীর হেফাজত থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয় ও অপর চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Comments

comments