কেরানীগঞ্জের সিংহনদী দখল করে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা

21

বুড়িগঙ্গা দখলের পর এবার ভূমিদস্যুরা দখল করতে শুরু করেছে কেরানীগঞ্জের সিংহনদী। অবৈধ দখলের ফলে দিনে দিনে সিংহভাগ মরা নদীতে পরিণত হচ্ছে। গত তিন দশকে নদীর বিশ কিলোমিটার জমি দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে শতাধিক ভবন ও মার্কেট। নদীর প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ফসলি জমিতে সেচ ও নৌ চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে মারাত্মকভাবে।

সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, নদী ক্রমাগত ভরাট করে সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে বহুতল ভবন ও মার্কেট। ভূমিদস্যুরা দুই হাত ভরে কামিয়ে নিচ্ছে কালো টাকা। এই অপকর্মে জড়িত উপজেলা ভূমি ও রাজস্ব বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারী। ভূমিদস্যুরা ভুয়া ও জাল কাগজপত্র দেখিয়ে, কেউবা রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা দেখিয়ে, আবার কেউ বা কোন কাগজপত্র না দেখিয়েই দখল করে নিচ্ছে সিংহদড়ী নদী। অথচ আগেকার দিনে লোকজন এই নদী দিয়ে বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বর নদীতে যাতায়াত করত।

সিংহনদীটি ধলেশ্বরীর আকসাইলের রামেরকান্দা,অগ্রখোলা, শিকারটোলা ও খাড়াকান্দি দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাস্তা ইউনিয়নের রাজাবাড়ী হয়ে পুনরায় ধলেশ্বরীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

অপরদিকে নদীটি রারমকান্দা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বেলনা,আকশাইল ও কলাতিয়া হয়ে বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে মিশেছে। এক সময় শত শত মণ ধান, পাট ও মালবাহী নৌকা পাল তুলে যাতায়াত করত।

অন্য খবর  সেদিন ম্যাডাম জিয়া আমার জন্য কেঁদেছিলেন, নিউজ৩৯ এর সাক্ষাৎকারে আবু আশফাক

মালিভিটা এলাকায় মাঝ নদীতে বালি ভরাট করে নদীপথে যাতায়াত বন্দ করে দিয়েছে। নৌকার মাঝিরা নৌকা চালাতে পারছে না,তাছাড়া মাছ ধরার জাল দিয়েও নৌকা চলাচলের পথ বন্দ করে দেয়া হয়েছে।

Comments

comments