কাশ্মীরে গণগ্রেপ্তারে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ

10

আগস্টের শুরুতে সংবিধানের ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার পর ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিজেপি সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেওয়ার আগের দিন থেকে অঞ্চলটিতে কঠোর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।

দুই সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এবং ওমর আবদুল্লাহসহ গ্রেপ্তার করা হয় ৪০০ এরও অধিক স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা। এখন পর্যন্ত অন্তত ৪ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয় রাজ্যটিতে।

জম্মু অঞ্চলের কারফিউ কিছুটা শিথিল করা হলেও বিশ্বের সঙ্গে এখনো অনেকটাই বিচ্ছিন্ন কাশ্মীর। সংবাদমাধ্যমসহ সব ধরনের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থানীয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে।

দ্য হিন্দুর এক মেইলের জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মর্গান ওর্টাগাস বলেন, “স্থানীয় রাজনৈতিক  ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ ব্যাপক গ্রেপ্তার এবং অঞ্চলটির মানুষের ওপর কঠোর কড়াকড়ি আরোপে আমরা গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করছি।”

ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমটিকে তিনি আরও বলেন, “এখনো নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে ইন্টারনেট সংযোগ এবং মোবাইল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে, এমন প্রতিবেদনেও আমরা উদ্বিগ্ন।”

তিনি বলেন, “আমরা কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি, তারা যেন মানবাধিকারের প্রতি সম্মান জানায় এবং সেখানকার ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্কের মতো পরিষেবারগুলো পুনরায় সচল করে দেয়।”

অন্য খবর  কারাগারে মারা গেলেন মসজিদ-উল নববীর ইমাম

এই মার্কিন কূটনৈতিক আরও বলেন, “স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে ভারত সরকার পুনরায় রাজনৈতিক যোগাযোগ শুরু করবে এবং সেখানে নির্বাচনের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যথাসম্ভব দ্রুত সেটির তফসিল ঘোষণা করা হবে এমন প্রত্যাশা আমরা করছি।”

Comments

comments