কাতারের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে কারোও আলোচনার অধিকার নেই

193

সৌদি আরবের নেতৃত্বে অন্যান্য রাষ্ট্রের দোহার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের বিষয়টিকে অন্যায় এবং অবৈধ দাবি করে কাতার বলছে, তাদের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে কোনো দেশেরই আলোচনার অধিকার নেই। এরই মধ্যে সংকট সমাধানের জন্য আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে ব্রিটেন। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস সফররত কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেইখ মুহাম্মাদ বিন আবদুলরহমান আল-থানি বলেছেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে যাই হোক না কেন … তা নিয়ে কথা বলার অধিকার কারও নেই।’

কাতারের বিরুদ্ধে জঙ্গি সংগঠন সমর্থনের অভিযোগের ব্যাপারে পরিষ্কার ভিত্তি নিয়ে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে আল-থানি। উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা সংক্রান্ত যে কোনো বিষয়ে কাতার আলোচনা করতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, চলতি সপ্তাহে তিনি সৌদি আরব, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

কাতারের বিরুদ্ধে উপসাগরীয় দেশগুলোর আরোপিত অবরোধ শিথিল করারও আহ্বান জানিয়েছেন ব্রিটিশ এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী। উত্তেজনা প্রশমনে পদক্ষেপ নিতে ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে দ্রুত একটি সমাধান বের করার পরামর্শ দিয়েছেন বরিস জনসন। তিনি বলেন, অবরোধের পরিধি না বাড়িয়ে উভয়পক্ষকে সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য আমি সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছি।

অন্য খবর  সৌদিতে আল-জাজিরা দেখলে এক লাখ রিয়াল জরিমানা

বরিস জনসন বলেন, সমঝোতায় অাসার জন্য প্রতিবেশিদের অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে নেয়ার জন্য কাতারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছি। জঙ্গিবাদবিরোধী লড়াইয়ে কাতার যুক্তরাজ্যের অংশীদার। তবে তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তারপর জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরদ্ধে এই মুহূর্তে কাতারের আরও জোরালো পদক্ষেপ নেয়া দরকার।

একের পর এক দেশ কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের পর প্যারিসে সফর করছেন আল-থানি। তিনি বলেছেন, দেশগুলো প্রকৃতপক্ষে কী কারণে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল সে ব্যাপারে সত্যিই আমাদের কোনো ধারণা নেই। ইরান কিংবা আল-জাজিরার কারণে এটা হয়নি। তারা প্রকৃত কারণ খুঁজে পাননি বলেও জানান তিনি।

তবে যুক্তরাজ্যের মতো বন্ধুভাবাপন্ন রাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে এগিয়ে আসায় কুয়েতের প্রশংসা করেছেন তিনি।

 

Comments

comments