ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের গণভবনে নৈশভোজের দাওয়াত

52
ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের গণভবনে নৈশভোজের দাওয়াত

সংলাপে রাজি হওয়ার পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা মোস্তফা মহসিন মন্টুকে ফোন করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সোমবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে তিনি একথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের আজকে মন্ত্রিসভার বৈঠক ছিল। এরপর ড. কামাল হোসেনের চিঠির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে আলাপ করেন। সেই অনির্ধারিত আলোচনায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। পার্টির সুপ্রিমো পক্ষ থেকে বলতে চাই, শেখ হাসিনার দরজা কারও জন্য বন্ধ থাকে না। আমরা ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে সংলাপে বসবো।

তিনি আরও বলেন, আমরা কোন পূর্বশর্ত দেবো না। আমরা কারও চাপের মুখে নতি স্বীকার করবো না।

ফোনের বিষয়টি নিশ্চিত করে মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেন, ওবায়দুল কাদের ফোন করে সংলাপের জন্য গণভবনে নৈশভোজের দাওয়াত দিয়েছেন। ওবায়দুল কাদের কাদের তার কাছে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি তালিকা চেয়েছেন।

তবে সংলাপ কবে হবে, তা ঠিক হয়নি। মঙ্গলবার বা বুধবার সংলাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান মন্টু। সংসদ অধিবেশনে থাকা ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে এনিয়ে কথা বলা যায়নি।

অন্য খবর  ঢাকা জেলা উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগ কমিটি ঘোষণা

আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, কাদের ভাই মোস্তফা মহসীন মন্টুকে ফোন করেছিলেন, তাদের কথা হয়েছে। আগামীকাল আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি যাবে।

এর আগে সোমবার বিকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপে বসতে সম্মত হয়েছে আওয়ামী লীগ। আমরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে জানিয়ে দিতে চাই, আওয়ামী লীগ তাদের সঙ্গে সংলাপে বসবে। আর এই সংলাপে আমাদের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভাপতি শেখ হাসিনা।তবে সংলাপ কবে ও কোথায় হবে, তা বিস্তারিত জানাননি তিনি।

তার আগে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে রোববার রাতে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এবং দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে চিঠি দেয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

ধানমণ্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাত দফা দাবি এবং ১১ দফা লক্ষ্য সম্বলিত চিঠিটি হস্তান্তর করা হয়। চিঠিটি গ্রহণ করেন আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ।

Comments

comments