উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে পুনরায় আমাকে সমর্থন দিন: সালমা ইসলাম

45
দোহারে সালমা ইসলামের পক্ষে আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরণ

দোহার-নবাবগঞ্জে শান্তি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে পুনরায় আমাকে সমর্থন দিন। আমি আপনাদের সহযোগিতায় এ জনপদের উন্নয়নে কাজ করে যেতে চাই। দোহার ও নবাবগঞ্জকে একটি আধুনিক অঞ্চলে রূপান্তর করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য। শনিবার বিকালে ঢাকার দোহার উপজেলার চরলটাখোলা মাঠ প্রাঙ্গণে উপজেলা জাতীয় পার্টি আয়োজিত কর্মিসমাবেশ ও যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং দোহার-নবাবগঞ্জ ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এসব কথা বলেছেন।

একই দিন তিনি দোহারের স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে জনসংযোগকালে বর্তমান সরকারের আমলে দোহার ও নবাবগঞ্জের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের বিবরণ সংবলিত লিফলেট, পোস্টার বিতরণ করেন। এ সময় তিনি গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও চলমান উন্নয়ন কাজ এগিয়ে নিতে এলাকাবাসীর ভোট এবং সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

এমপি সালমা ইসলাম বলেন, আমি আপনাদের কথা দিয়েছিলাম নির্বাচিত হলে দোহারের পদ্মা নদীতে বাঁধ নির্মাণের ব্যবস্থা করব। আমার কথা রেখেছি। পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে দোহারের ভাঙন কবলিত মানুষের কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বহুবার বলেছি, তিনি আমাদের কথা ভেবে ২১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা নদীতে বাঁধ নির্মাণের ব্যবস্থা করেন। এখন দোহারবাসী পদ্মার ভাঙন আতঙ্ক থেকে মুক্ত ইনশাআল্লাহ। আগামী দিনে আপনাদের সহযোগিতার হাত অব্যাহত থাকলে দোহার ও নবাবগঞ্জ হবে একটি উন্নয়নমুখী অঞ্চল। কেউ কারও জমি, বাড়ি, অর্থ-সম্পদ লুণ্ঠন ও দখলে নিতে পারবে না। আমরা সবাই নিরাপদ ও শান্তি-সুখে বসবাস করব। তাই সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত, উন্নয়নমুখী অঞ্চল গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

অন্য খবর  জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে নবাবগঞ্জে ছাত্রলীগের শোকর‍্যালী

অনুষ্ঠানের শুরুতেই বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত নারী-পুরুষ মিছিল সহকারে সমাবেশে যোগদান করেন। এ সময় কর্মী সমাবেশ যেন জনসমাবেশে রূপ নেয়। মুহুর্মুহু করতালি দিয়ে সালমা ইসলামকে স্বাগত জানান উপস্থিত জনতা। সমাবেশে রফিক তালুকদারের সার্বিক সহযোগিতায় সহস্রাধিক নারী-পুরুষ বিভিন্ন দল থেকে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন।

সালমা ইসলাম এমপি বলেন, আমরা রাজধানীর কাছে থেকেও দীর্ঘ সময় অবহেলিত ছিলাম। যার মূল কারণ জনপ্রতিনিধিদের বিমাতাসুলভ আচরণ ও উন্নয়নে অনীহা। এর ফলে বহুদিন এ অঞ্চলের মানুষ শিক্ষা, চাকরিসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। এখন আর আমরা পিছিয়ে নেই। দোহার-নবাবগঞ্জে স্কুল এবং কলেজ সরকারিকরণ করা হয়েছে। ফলে গ্রামের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিত্তশালীদের ছেলেমেয়েরা উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে আমাদের এ অঞ্চলের মেয়েরা লেখাপড়া ও চাকরির ক্ষেত্রে অনেকটা পথ এগিয়েছে। যা একটি পরিবার ও দেশের জন্য সুসংবাদ।

তিনি এ সময় বলেন, আমাদের পিছিয়ে পড়লে চলবে না। আগামী নির্বাচনে আমাদের বিজয় লাভ করে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে দোহার ও নবাবগঞ্জের অসমাপ্ত সব উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত করতে হবে। নবাগত নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে উন্নয়নের জন্য কাজ করব।

অন্য খবর  দোহারে উন্নয়ন মেলা ও ইন্টারনেট সপ্তাহ-২০১৫

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার শহীদ আহমেদ, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা খন্দকার নুরুল আনোয়ার বেলাল, ঢাকা জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ, ওসি সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।

Comments

comments