ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচ বাতিল করেছে আর্জেন্টিনা

28
আর্জেন্টিনা
বিজ্ঞাপন

বিশ্বকাপ শুরুর আগে আর্জেন্টিনার সবশেষ প্রস্তুতি ম্যাচটি ছিল ইসরায়েলের বিপক্ষে। এই ম্যাচটি নিয়ে সমালোচনাও হচ্ছিল অনেক। রাজনৈতিক চাপ বাড়াতে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি বাতিল করেছে আর্জেন্টিনা।

জেরুজালেমে শনিবার ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল। ম্যাচটি বাতিল প্রসঙ্গে আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার গঞ্জালো হিগুয়েইন স্বস্তি প্রকাশ করেই বলেছেন, ‘অবশেষে তারা সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে।’

ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল জেরুজালেমের টেডি কোলেক স্টেডিয়ামে। এমন ঘটনার পর ইসরায়েলি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু আর্জেন্টিনা প্রেসিডেন্ট মৌরিচিও ম্যাক্রিকে অনুরোধ করেছিলেন সফরটি যেন তারা বাতিল না করেন।

এমন সিদ্ধান্তের পর ফিলিস্তিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এমনকি গাজায় এ নিয়ে উল্লাস করেছেন ফিলিস্তিনিরা।

উল্টোদিকে মেসির কারণেই ইসরায়েলের জনগণ ম্যাচটি দেখতে অপেক্ষায় ছিলেন। মেসিরা ইসরায়েলে খেলতে আসবে বলে অনেক আগে থেকে ফিলিস্তিনিরা ক্ষোভ প্রদর্শন করে আসছিলেন। কারণ, ম্যাচটি হবে পূর্ব জেরুজালেমে। আর পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনিরা তাদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে আসছে।

শুরুতে ম্যাচটি হাইফাতে হওয়ার কথা থাকলেও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জেরুজালেমে ম্যাচটি স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়। আর এমন সিদ্ধান্তে বাড়ে যত ক্ষোভ-বিক্ষোভ। ফিলিস্তিনিরা এমন সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক বলে মনে করতে থাকেন।

অন্য খবর  ‘মেসিকে ছাড়া বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়তে পারে আর্জেন্টিনা’

অবশ্য এমন তীব্র প্রতিক্রিয়ার কারণও আছে। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার সময় এই স্টেডিয়াম যেখানে অবস্থান করছে সেখানে ফিলিস্তিনি একটি গ্রামকে ধ্বংস করা হয়েছিল। আর্জেন্টিনায় নিযুক্ত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূত আব্দেল ওয়াহেদ জানিয়েছেন, ইসরায়েলের এমন উদ্যোগ তাদের ৭০ বছর পূর্তিকে আইনি ভিত্তি দেওয়া।

Comments

comments