আশরাফুলকে নিয়ে আশাবাদী চিটাগং ভাইকিংস

33

চিটাগং ভাইকিংসের চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াহেদ বলেছেন, ‘আশরাফুলের মতো ক্রিকেটার বাংলাদেশে সব সময় আসে না। হয়তো দেখা যাবে আশরাফুলই আমাদের অনেক ম্যাচ জিতিয়ে দিয়েছেন। তিনি আমাদের জন্য বিশাল প্রাপ্তি।’

বিপিএলে স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ক্রিকেটে ফেরা আশরাফুলকে দলে নেওয়ার কারণ হিসেবে ভাইকিংসের চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরার পর পাকিস্তানের মোহাম্মদ আমিরকে আমরা দলে নিয়েছিলাম। বিপিএলে ভালো খেলে তিনি জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন। আশরাফুলের প্রতি বরাবরই আমার দুর্বলতা ছিল। এবারের বিপিএল তার জন্য জাতীয় দলে ফেরার বড় সুযোগ। আশা করি, আমাদের দলে ভালো খেলে তিনি আগামী বছর বিশ্বকাপের দলে ডাক পাবেন।’

বিপিএলে খেলার সুযোগ পেয়ে আশরাফুলও দারুণ খুশি। তিনি বলেছেন, ‘এই দিনটার অপেক্ষায় ছিলাম। খুব ভালো লাগছে। বিপিএল এমন একটা প্ল্যাটফর্ম যেখানে একজন ক্রিকেটার অল্প সময়ে দেশের পাশাপাশি দেশের বাইরেও পরিচিতি পেয়ে যায়।’

চিটাগং ভাইকিংসকে ধন্যবাদ জানিয়ে আশরাফুল আরও বলেছেন, ‘আকরাম ভাই আর নান্নু ভাই চিটাগাং ভাইকিংসের সঙ্গে আছেন। তারা দুজনই আমাকে পছন্দ করেন। তাদের পছন্দের তালিকায় ছিলাম বলেই চিটাগং ভাইকিংসে সুযোগ পেয়েছি। বিপিএলে ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলতে চাই, নিজের সেরাটা দিয়ে লড়াই করতে চাই।’

অন্য খবর  আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ নিষিদ্ধ

ভাইকিংসে সতীর্থ হিসেবে মুশফিকুর রহিমকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত অভিষেকেই টেস্ট ক্রিকেটে সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়া আশরাফুল, ‘মুশফিক অসাধারণ ক্রিকেটার। চিটাগং ভাইকিংসে মুশফিক থাকায় আমার জন্য অনেক সুবিধা হয়েছে। নিষিদ্ধ হওয়ার আগে টেস্টে আমার সেরা ইনিংসটা মুশফিককে সঙ্গে নিয়ে খেলেছিলাম। ও ডাবল সেঞ্চুরি করেছিল, কিন্তু আমি অল্পের জন্য পারিনি।’

২০১৩ সালের মার্চে শ্রীলঙ্কা সফরে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন মুশফিক। সেই ম্যাচে আশরাফুল আউট হয়ে যান ১৯০ রানে।

Comments

comments