আজ জাপানের সঙ্গে ছয়টি বড় প্রকল্পের চুক্তি করবে সরকার

489
আজ জাপানের সঙ্গে ছয়টি বড় প্রকল্পের চুক্তি করবে সরকার

আজ বুধবার সরকার ছয়টি বড় প্রকল্পের বিষয়ে জাপানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করবে। প্রকল্পগুলো হচ্ছে- অবকাঠামো, আঞ্চলিক যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং পরিবেশ সংশ্লিষ্ট।

প্রকল্পগুলো হলো-

  • যমুনা রেলওয়ে ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্প
  • আন্তঃসীমান্ত সড়ক যোগাযোগ উন্নয়ন প্রকল্প (বাংলাদেশ)
  • ঢাকা গণপরিবহন উন্নয়ন প্রকল্প (২য়)
  • মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উন্নয়ন প্রকল্প (২য়)
  • জ্বালানি সাশ্রয় ও সংরক্ষণে অর্থায়ন প্রকল্প
  • এবং দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন প্রকল্প

বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)’এর অতিরিক্ত সচিব কাজি শফিকুল আজম এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত মাসাতো ওটেনআবে যার যার পক্ষে বিনিময় নোট স্বাক্ষর করবেন। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিতব্য অনুষ্ঠানে প্রকল্পগুলোতে ঋণ প্রদানে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগীতা সংস্থা (জাইকা)’এর আবাসিক প্রধান মিকিও হাতাইডা’র সঙ্গে ইআরডির অতিরিক্ত সচিব কাজি শফিকুল আজম চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান। সরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) পদ্ধতিতে জাপান সরকার এ ঋণ প্রদান করবে।

যমুনা বহুমুখী সেতুতে রেলওয়ে যমুনা নদীর উপর ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ রেল সেতু নির্মাণ করবে। রেল সড়ক উন্নয়নের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বঙ্গবন্ধু সেতুর রেল যোগাযোগ উন্নয়ন।

অন্য খবর  আজ শুরু একাদশ সংসদের যাত্রা

দেশ ও আঞ্চলিক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে গত ২৬ এপ্রিল, ২০১৬ একনেক-র নির্বাহী কমিটি আন্ত:সীমান্ত সড়ক যোগাযোগ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেয়। এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনেতিক উন্নয়ণ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা মাস রোড ট্রান্সপোর্ট (এমআরটি)-র উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেন। এমআরটি প্রকল্পটি এমআরটি কর্তৃপক্ষ নির্মাণ করবে । প্রকল্পটিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২২ হাজার কোটি টাকা। এতে মোট ব্যয়ের ১৬ হাজার ৫শ’ কোটি টাকা অর্থায়ন করে জাইকা এবং অবশিষ্ট অর্থায়ন সরকার নিজ তহবিল থেকে করবে।

দেশের বিদ্যুত ক্ষেত্রে স্থীতিশীলতা আনতে মাতারবাড়িতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুত চট্ট্রগ্রাম অঞ্চলে সরবরাহ করা হবে, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখবে।

জ্বালানী সাশ্রয় ও সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, জ্বালানী সাশ্রয় ও সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ঋণ, কারিগরী সহায়তাসহ বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করে জ্বালানীর চাহিদা যোগান বিষয়ে ভারসাম্যতা বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা।

Comments

comments