অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে বিদায়ের পথে বাংলাদেশ

425
during the ICC World Twenty20 India 2016 Super 10s Group 2 match between Australia and Bangladesh at M. Chinnaswamy Stadium on March 21, 2016 in Bangalore, India.

কলকাতার পর ব্যাঙ্গালোরেও একই চিত্র।টি-২০ মেজাজ বিরুদ্ধ ব্যাটিং।সঙ্গে বাজে ফিল্ডিং।এই ফরমেটে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের হাজার মাইল যেতে হবে এখনও। মাশরাফিরা যেন আবারও সেটা বুঝিয়ে দিলেন।সোমবার রাতে চেন্না স্বামী স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩ উইকেটে হেরে ( ৯ বল বাকি থাকতে) বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পথে বাংলাদেশ।
এ ম্যাচেও যথারীতি ডুবিয়েছে নেতিবাচক ব্যাটিং। ব্যাটিং স্বর্গে বাংলাদেশের সংগ্রহ মাত্র ১৫৬। এই উইকেটে ১৫৭ রানের টার্গেট ছোট স্কোর। উসমান খাজা ও শেন ওয়াটসন মিলে শুরুটাও করেন উড়ন্ত। একের পর এক চার ছক্কা। প্রথম পাওয়ারপ্লেতে আসে ৫১ রান।
এর মধ্যে যা কিছু সমীহ আদায় করেন মাস্তাফিজই। ব্যক্তিগত ১৩ রানের সময় মুস্তাফিজের বলে সহজ ক্যাচ দিয়েছিলেন ওয়াটসন। কিন্তু সেটা ধরতে পারেননি মিথুন। ২১ করে ওয়াটসন রান আউট হলেও অজিদের রানের চাকা থামানো যায়নি। ৩৭ বলে ক্যারিয়ারের প্রথম টি-২০ হাফ সেঞ্চুরিটা পূরণ করেন খাজা। শেষ পর্যন্ত ৫৮ রানে তিনি ফিরেন আল আমিনের বলে।
এরপর স্মিথকে ১৪ রানে ফেরান মুস্তাফিজ। সাকিবের বলে ওয়ার্নার আউট হলেও ততক্ষণে কাজের কাজটি করা হয়ে গেছে তার। খেলে ফেলেছেন ৯ বলে ১৭ রানের ভাল ইনিংস। এরপর আরও দ্রুত তিন উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৯ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। সাকিব ৩টি, মুস্তাফিজ ২ উইকেট নেন।
এরআগে ব্যাঙ্গালোরের ব্যাটিং উইকেটে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ তুলে ৫ উইকেটে ১৫৬ । কিন্তু চিন্নাস্বামীর যেরকম উইকেট তাতে, ১৮০ /১৯০ রান কঠিন কিছু ছিল না। টসের সময় উইকেট দেখে বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফিও বলেছেন, এই উইকেটে ১৮০ রান তুলতে হবে।
কিন্তু সেটা হয়নি ক’য়েকজন ব্যাটসম্যানের নেতিবাচক ব্যাটিংয়ের কারণে। পিটের পীড়া ও জ্বরের কারণে একাদশে ছিলেন না তামিম। সৌম্য সরকারের সঙ্গে এদিন ওপেন করতে নামেন মিথুন। সৌম্যের ফর্ম নেই ৬/৭ মাস হতে চললো। এদিনও যথারীতি ব্যর্থ। ৬ বল খেলে মাত্র ১ রান করেন সৌম্য সরকার।
মিথুনের সঙ্গে সাব্বির বেশ কিছুক্ষণ উইকেটে থাকলেও রান তোলার গতি ছিল বড়ই মন্থর। প্রথম পাওয়াপ্লেতে (৬ ওভার) আসে মাত্র ৩৩ রান। আর ৫০ রান পূর্ণ করতে লেগে যায় ৮.১ ওভার।
১৭ বলে ১২ রান করেন ইন ফর্ম ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমান। টি-২০ মেজাজে নয়, ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাটিং করেন শুভাগত হোম, মোহাম্মদ মিথুনও। ২২ বলে ২৩ মিথুন, আর ১০ বলে ১৩ করেছেন শুভাগত হোম।
১২০ বলের ম্যাচে ব্যাটসম্যানরা ডট দিয়েছেন ৪৬টি! যেটা বেশ ব্যয়বহুল। ইনিংসে ছক্কা হয়েছে মাত্র ৪টি। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ২৯ বলে ৪৯ রানের ইনিংসটা না হলে লজ্জায় পড়তে হতো বাংলাদেশকে। ১১ বলে ১৫ রান করেন মুশফিক। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা ৩টি, ওয়াটশন ২ উইকেট নেন।

অন্য খবর  শিশিরের ফোনে রাতে যুক্তরাষ্ট্রে রওনা হচ্ছেন সাকিব

Comments

comments